দীপ্ত

Sudipto Gupta

বাঁচতে চেয়েছিল তোর প্রতিবাদী হাথ
বাইশ বছরের স্ফুলিঙ্গ হঠাত
হারিয়ে গেল যেন কোথায়

লড়বো, করবো আশা মনে জিতবো
হয়েত, অন্য ভোরে পুরবো
মনের সাধ অন্য হোথায়

মাথা পেতে ধরে রাখ শোষনের লাঠি
স্বপ্ন বুক চৌচির, মরণকাঠি
বিপ্লব লাশকাটা ঘরে লোটায়

বাবার বেহালা পুত্রশোকের ছড়
স্তব্ধ সঙ্গত দিনবদলের ঝড়
একাকীত্বের পাথর আজ সেথায়

“কেউ বলেনা”, শেষ লেখা অভিমান ভরি
“তুই এসেছিস? আয় পাশে বোস – গল্প করি”
শব্দেরও অকালমৃত্যু এথায়

সালমান রুশদী

Rushdieভারতের একই পাঁঠা পেরেকেতে ক্রুশ দি
আয় তবে ধরে আন সালমান রুশদী।
ভোট হবে জোট যাবে বিরোধীকে বাঁশ দি
দাও ব্যান করে তাকে সালমান রুশদী।
মাইনরিটি মন-জয় এজেন্ডায় পুশ দি
পুড়িয়ে দে এফিজি সালমান রুশদী।
আধশতক  ধ্যেরিয়ে এখন কাকে দুষ দি
আছে ওই নন্দ ঘোষ সালমান রুশদী।
লিবারাল মন যারা কি প্রকারে ঘুষ দি
তোয়াজে ভরিয়ে দাও সালমান রুশদী।
শোনো বাছা বলি তোমে ঘটে কিছু হুঁশ দি
তোর কোন ধানে মই দ্যাছে সালমান রুশদী?

কাঁটা লাগা?

স্যার, সত্যি বলছি – এই ফরেন থেকে আর্বিট লোকজন এসে দেশের বদনাম করে দিয়ে যায় না স্যার, পুরো কেলো কেস। মনে হয় ঘুরিয়ে কানের গোড়ায় দি – সেই মদনদা যেমন টেশন রোডে ট্রাফিক কনিষ্টগোপাল কে দিয়েছিল! কিন্তু স্যাড ম্যাটার স্যার, এরা সব অতিথি – তাদের সঙ্গে ত্যাদ্রামো কত্তে সেই আমির খান বারণ কল্লো না – সেই থেকে মেনে চলি। তবে কিনা স্যার কিছু দিন হলো একটা বলোগ খুলেছি – দু কলম লিকি-টিকি আর কি স্যার। তাই কানের গোড়ায় চাপাটি না মেরে ছন্দে কবিতাটি মেরে দিলাম।ভালো লাগলে চাট্টি কমেন্ট করে দেবেন – ইয়ং রাইটার তো স্যার – ভরসাটা একটু ফর্সা হবে আর কি! 

শুনেছ কি কয়ে গেল অপ্রা উইন্ফ্রী?

কাঁটা দিয়ে খায় নাকো – এইটা কি শুনচি?

শোনো তবে অপু মাসি শোনো দিয়া মন

হাথ দিয়ে খাবার মজা করি বর্ণন

পাকা আম জৈষ্ঠে, কাঁচা সোনা ডাগর 

হাথ বেয়ে রস নামে অমৃতসাগর

চেটে খেলে সেই রস তবে মনে শান্তি

খাও দেখি কাঁটা দিয়ে – দিয়ে দেবে ক্ষান্তি।

আরো বলি শোনো অপু শোনো মন দিয়া

খেয়েছ কি ইলিশ মাছ সর্ষেতে রান্ধিয়া?

কাঁচা রুপো রং তার, স্বাদেতে সে রাজা

ঝোলে খাও, ভাপা খাও, ভাতে খাও ভাজা

যেভাবেই খাও নাকো এটা রেখো মনে

কার ঘাড়ে কটা মাথা ইলিশ কাঁটা গনে?

তবে, তুমি শুনি পটিয়সী কাঁটা দিয়ে খেতে

পঞ্চ-পদে ইলিশ রেঁধে পাত দিলুম পেতে

কাঁটা আছে ছুরি আছে খাও ভরে প্রাণে

শেষ পাতে আম আছে, সেটা রেখো মনে !

মহাকাব্যে মমতা

রাত বাড়লেই বাওয়াল বাড়ে । এইটাই তো  টুইটার এর নিয়ম হুজুর । আর রাত বাড়লেই যদি এসে  জোটে তন্ময়, গাবলু, সোমেশ্বর, শঙ্খদীপ, রাজশেখর , রীতাতাহলে তো স্যার পুরো ব্যোমকে বাহান্ন ! কিন্তু একটা কমন টপিক চাই বেশ শাসালো দেখে । সেই যে কথাযে বলে না – টুইট সফল হয় টপিকের গুনে । আস্তে আস্তে বেশ গ্রাফ থীয়রির মত জাল বিস্তার হয় – সেই সঙ্গে মজাও ।তা  ইদানিং সোশাল মিডিয়ার যা কিছু খোরাক সেইটে  তো যুগিয়ে যাচ্ছেন আমাদের দিদি – মানে মমতা ব্যানার্জি । আর এস এস ফীড পড়া, জ্ঞান সাগরে স্নাত  প্রাজ্ঞ পাঠিকা তো সবই জানেন, তাই বেশি ভাটাবো না । এইখানে হুজুর ধর্মাবতার কবুল করে রাখি যে শুরু টা আমিই করেছিলাম একটা নেহাতই পাতি লাইন দিয়ে । ক্রমে দেখলাম মালটা ফুলে-ফলে-পল্লবে বেশ ডাগর হয়ে উঠলো – তাই ভাবলুম হুজুর কবে টপকে যায় (না স্যার, আমি না – দিদিভাই এর সরকার) – এই সব মহাকাব্য তো এক জায়েগায়ে করে রাখা উচিত, নাকি? পরের সরকার যদি এইটে দেখে আমাদের সব্বাইকে মন্ত্রী-টন্ত্রী করে দেন তাহলে আখেরটা একটু গুছিয়ে নিতে পারি স্যার…

মহাকাব্যে মমতা

তুমি মমতা আমি ডেরেক, তুমি হাতুড়ি আমি পেরেক

তুমি মমতা আমি মদন, তুমি থাবড়া আমি বদন

তুমি মমতা আমি মুকুল, তুমি রক্তজবা আমি বকুল

তুমি মমতা আমি গৌতম দেব, আমাদের ডিকশনারি তে “লজিক” শব্দ গায়েব

তুমি মমতা আমি বুদ্ধ, তুমি আধ-পাগল আমি বদ্ধ

তুমি মমতা আমি কবীর সুমন, তুমি সেভেন আপ আমি পাতি লেমন

তুমি মমতা আমি সৌগত, তুমি ইন্টারনাল আমি বহিরাগত

তুমি মমতা আমি মিশ্র সূর্যকান্ত, তুমি ভগবান আমি ফ্লপ রজনীকান্ত

তুমি মমতা আমি রেজ্জাক আলী মোল্লা, তুমি লিনিয়ার এলজেবরা আমি বিলকুল গোল্লা

তুমি মমতা আমি স্টার আনন্দ, তুমি আবগারী আতর আমি পচা দুর্গন্ধ

তুমি মমতা আমি মনমোহন সিং, তুমি আলুর ঝাল তরকারী আমি কচুরি মাইনাস হিং

তুমি মমতা আমি বিমান বোস, তুমি ট্রাফিক পুলিশ আমি কান ধরে ওঠ-বোস

তুমি মমতা আমি সমবায় ব্যাঙ্ক, তুমি জমাদার আমি সেপটিক ট্যান্ক

তুমি মমতা আমি রতন টাটা, তুমি কচি ঝিঙে আমি পোস্ত বাটা

তুমি মমতা আমি ন্যানো , জন্মের আগে অ্যাবরশন্, এই অবিচার কেন?

যতক শতক চটক

Tanmay Mukherjee, who runs the website Bong Ben is an extremely talented writer. His blog recently hit the 100th post landmark. This is my humble tribute to a great contemporary writer, wishing him many more returns of similar milestones.

সুনীতি কুমার দুর্নীতি কুমার ভাসায়ে বেঙ্গলি

চর্যাপদ টু চন্দ্রবিন্দু, লালমোহন গাঙ্গুলি

তালপাতার পুতি টু সাইবার-স্পেস ব্লগ

উত্থিষ্টিত বেঙ্গলি এখন গোইং দা হোল হগ

এই জামানায়ে শিবাজি যখন সেঞ্চুরী নাইনটি নাইন

ঠিক তখনি mtanmay পেরোলো শতক লাইন

কুচকুচে কাক আর ব্রাস্সো মারা ভাষা

টানটান টপিক আর হিউমারে ঠাসা

খাসা লেখা খোসা ছাড়া নাগপুরী লেবু

গরম দুধ নরম ব্রান্ডি শীত-জ্বরে কাবু

সাতাশ নম্বরটা কি ছেপেছিলেন জটায়ু?

বং পেন তুমি হও “হান্দ্রেদ্স মোর” দীর্ঘায়ু !

বাগদেবী

গাঁদার মালা   নারকেলি কুল 

কামিয়ে দাড়ি   আচড়িয়ে চুল

চিকন কুর্তা   বাসন্তী শাড়ি

খিচুরী-ল্যাবরা   আরচোখে ঝাড়ি

ফিজিক্স অনার্স-ভীত   আনত মস্তে

ভগবতী ভারতী   দেবী নমস্তে

বাজাও তুমি কবি

সাধটি ছিল বড় যখন ছোট্ট ছিল  বেলা           মেজমামার সরোদ নিয়েই ছিল আমার খেলা

বড় হব একদিন রিনিঝিনি সুরে                     বাজবে আমার  হাতের সেতার আকাশের দুরে

রথের মেলায় কেনা কিশোরের বাঁশরী             তবে কি এই হবে আমার পথের দিশারী?

যার বুকে ফুটো খালি হওয়া দেয় সুর               নিয়ে যাবে মোর নাম দেশের সুদুর?

কলেজের সিঁড়ি বেয়ে নেমে এলো গান               রবি থেকে শুরু করে সুমন, ডিলান

ফাঁপা বুক ছটা তার কম-বেশি মোটা               ঝিলিমিলি সুরে বাঁধা এ গিটার গোটা

উদাসী মন সাথে তার রাস্টিক ফোক               ফাটা জিন্স উড়ো চুলে মোর প্রেমালোক

যুবনের ফুয়ে যার কাঁপা শিখা নিভে যায়           বিসমিল্লার সানাই খাম্বাজে চাদনাতলায়ে

তবু মনে আশা বাঁধি হব উঁচু বাজিয়ে               রেখেছি আমার শপথ কলকাতা কাঁপিয়ে

রাজপথ অলি-গলি বেহালা টু বারাসাত           বাজনার মুর্ছনায়ে একেবারে কুপোকাত

সংসার বাজিয়ে চলে আমি চলি বাজিয়ে           জীবনের সুর তোলা বুড়ো আঙ্গুল চাপিয়ে

বাজাও তুমি কবি রাগ শিবরঞ্জনী                    বাজাই হর্ন আমি আমার মনোহারিণী

 

কবির স্বীকারোক্তি 

এই বাজে ছড়াটা আমার হতে পারে, কিন্তু আইডিয়াটা আমার প্রিয় বন্ধু, চন্দ্রবিন্দু-খ্যাত চন্দ্রিল এর | এক বন্ধুর মেয়ের অন্নপ্রাশনে দেখা কয়েক দিন আগে – তা প্রায় এক যুগ পর | এই কথা ওই কথার মাঝে স্বাভাভিক ভাবেই কলকাতার কথা এসে পরে | চন্দ্রিল এর ধারণা যে কলকাতার অধিকাংশ taxi চালক কোনো এক বাদ্য যন্ত্র বাজাতে চেয়েছিল | সেই ব্যর্থতা তারা পুষিয়ে নেয়ে হর্ন বাজিয়ে |

যদি কেড়ে নিতে বলে Tweet ঠাসা পাতা …

ঝাঁকিয়ে মাথা বলল সিবল, ‘এমন তো আর চলে না !

দুষ্টু লোকে উঠছে ক্ষেপে, মিষ্টি কিছুই বলেনা?

সাতের দশকে কেমন চেপে ধরল ইন্দু মাসি

কালের চাকা ঘুরেই ফাঁকা কন্সেপ্টাই বাসী |

বেড়েই চলেছে লোকের চোপা, রান্ট রেভ আর হেট

করতেই হবে হেস্ত-নেস্ত before it ‘s  too late |

এস দেখি বাপ মনিশ রমেশ অমর সিংহ ভাই

Social media র এই নচ্ছার chatter বন্ধ হওয়াই চাই|

যারা বেয়াদপ তাদের কন্টেন্ট জব্দ করে দুরন্ ত

আয়ের উপর মোটা ট্যাক্সো লাগু করে দাও তুরন ত

বাজেয়াপ করা Tweet , Update এ বানাও CD Superhit

কালো মার্কেটে  বিক্রি দেদার কমবে ফিসকাল ডেফিসিট!

জনম দিন, জানান দিন …

চালিয়ে ইন্দুর দেখনু ছবি

গোমড়া থেরিয়াম

Tweet এর কথা লেখার ছটা

হারমো মেনি আম

মোলাম স্বভাব তীক্ষ্ণ বুদ্ধি

Milkmiracle Net

বানান ছবি স্বভাব কবি

সবার মাথা হেঁট

কেল্টু রূপে বিরাজ ঘটে

নামটি অনির্বান

বার্থডে হ্যাপি বলছি ডাকি

করছি আশীষ গান

মোমো চিত্তে, নিতি নৃত্যে …

ধবধবে সাদা তুলতুলে স্কিন

ত্যালত্যালে সুপে সোয়া সস দিন 

নরম-সরম গড়ন, বিলকুল সিম্পল

লোভনীয় body – art একদম ডিম্পল

মেলামাইনএর প্লেট, পিস আছে ছটা

শুরু করে দাও বস শ্যাটাবার ঘটা

হাতা দিয়ে তুলে ধরে সুপে ধর চুবিয়ে

চলুক চোয়াল জোরে মৌতাতে ডুবিয়ে

হোক তুই straight বা তলে তলে হোমো

না খেলে life বৃথা Hamro র মোমো